শেফালির বিচিত্র যৌনলীলা। বোতল থেকে হূইস্কি ঢেলে যুবকটি ভিজিয়ে দিচ্ছিল শেফালির উদ্ধত স্তন। স্তনের ঢাল বেয়ে গড়িয়ে পড়া হূইস্কিগুলো চাটছিল জিভ দিয়ে। যেন লালসার চরম শিখরে নিয়ে যাচ্ছে নিজেকে।
জিভের আদরে ভারী বুকদুটো আসতে আসতে ফেঁপে ফুলে উঠছে। নিপলের রঙ চেঞ্জ হয়ে ধারণ করেছে রক্তমুখী নীলার মতন। শরীরের সব রক্ত জমা হচ্ছে শেফালির স্তনবৃন্তে। ওর চোখের তারা আবেশে তখন হয়ে উঠেছে মায়াবিনীর মতন।
শেফালির আস্কারাতে যুবকটী আরো উদ্ধত হচ্ছে। নিমেষে চুষে নিচ্ছে বিলেতি মদ। শেফালি ওর আনন্দের পারদ চড়িয়ে দিচ্ছে। নিজহাতেই যুবকটির মুখে ঢুকিয়ে দিচ্ছে স্তনাগ্র। সোমরস আর স্তনসুধা পান করার কি অসীম আগ্রহ। যুবকটী ওর স্তনের বোঁটা চুষছে। আমি দেখছি। মনে হচ্ছে
বেকার যুবক।কাজকর্ম নেই। সারাদিন টইটই করে ঘুরতাম আর রাতে বাড়ি ফিরে শুয়ে পরতাম।আর প্রয়োজনে বেশ্যাপাড়ায় যেতাম যৌবনের জ্বালা মেটাতে(এ কাহিনী পরে শোনাবো)।
কাজের বুয়া লতা খালার কথায়। বয়স ৩৭। ছোট থেকে বাবার কাছ থেকে শুনে আসছি যে লতা বুয়ার স্বামী মারা যাওয়ার পর লতা বুয়া আমাদের বাড়িতে কাজ করে।
আমি একদিন রাতে পায়খানা করার জন্য আমার তলার বাথরুমে গিয়ে দেখি পানি নেই। অগত্যা দোতলার বাথরুমে যাব বলে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিলাম । অন্ধকারে আবছা আবছা দেখা যাচ্ছে বলে লাইট জ্বালাইনি।
নামার সময় দেখলাম দোতলায় আলো।আর পায়ের শব্দ। লতা বুয়া বাথরুমে যাচ্ছে। পড়নে শুধু ছায়া আর ব্লাউজ। আমাকে দেখতে পায়নি কারণ পায়ের শব্দ শুনেই আমি অন্ধকারে লুকিয়েছিলাম। আমাদের বাড়িতে প্রত্যেকতলায় একটা করে বাথরুম। তাই বাথরুম যেতে হলে সবাইকে সেই বাথরুমে যেতে হবে। তবে তো বুয়ার দোতলায় থাকার কথা নয়।সাথে সাথে আমার মনে অনেক প্রশ্ন ভীড় করে। এতদিনের কানাঘুষো কি তবে ঠিক! বুয়া আর বাবা কি ….! মানে লতা বুয়া বাবার রক্ষিতা!
ততক্ষনে বুয়া সিঁড়ির দিকে এগিয়ে আসছে।একি পেছনে পেছনে বাবা! তাও শুধু জাঙ্গিয়া পরে। বুয়া সিড়ি দিয়ে নামলো না।বরং বাবার ঘরে ঢুকে পড়লো! বাবা ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিল। আমি মোবাইলে নাইট ভিশনে ভিডিও করতে
জানালার বাইরে মোবাইলে বুয়া আর বাবার চোদন লীলা দেখতে লাগলাম।বাবা তির ইয়া বড় বাড়াটা বুয়ার সায়ার তলে ঢুকিয়ে দিয়ে থাপাতে লাগল।আর মাইদুটো টিপতে লাগল। বুয়া বাবাকে গালি দিতে দিতে চোদা খাচ্ছে। হঠাৎ থাপানোর গতি বেড়ে গেল।আর কয়েক সেকেন্ডে বাবা নেতিয়ে পড়ল।
বুয়া: ধুর মিয়া, তোমার বয়স হয়েছে। তোমার তেজ শেষ। এখন আমার গুদের মধ্যে তোমার মাল দুমিনিটেই পড়ে।
বাবা: আরে লতা ডার্লিং। দাঁড়াও দু তিন দিন। ওষুধে কাজ দেবে।তখন আবার বিছানায় তোমার ফেনা তুলে ছাড়বো।
বুয়া: ঠিক আছে, আমি তাই ( বলে বুয়া উঠলো, এই সুযোগে মোবাইল নিয়ে আমি সোজা জোরে হেটে বাথরুমে ঢুকে পরলাম)
বাথরুমে সাইলেন্ট করে ভিডিওটা চালিয়ে দিয়ে আমি বাড়াটা খিঁচতে আরম্ভ করলাম। মাল বেড়িয়ে আসতেই ওহ! বলে হালকা নিঃশ্বাস ফেললাম। দরজাটা খুলে বুয়াকে দেখতে পেলাম। চোখে তখন ন্যাংটা বুয়া আমার বাড়াটা গুদে গুজে হাসছে আর ঠাপন খাচ্ছে।
আমার দেখা পাওয়াটা বুয়ার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল
বুয়া: বাবু তুমি এখানে?
🔥আপনি যদি ads free গল্প পড়তে চান, তাহলে এখানে ২ টি বাটনে এর মধ্যে একটিতে ক্লিক করুন, একটি বাটনের মধ্যে Ads ছাড়া এই গল্পের লিং আছে, ads ছাড়া গল্প উপোভোগ করুন

0 Comments